টঙ্গীর বনমালা সড়কে জাকির-জহিরুলের চাঁদাবাজি

স্টাফ রিপোর্টার, গাজীপুর.নিউজ:
গাজীপুর নগরীর টঙ্গীর কলেজগেটের বনমালা সড়কে শতাধিক ইজিবাইক থেকে স্থানীয় নেতা পরিচয়ে জাকির ও জহিরুলের চাঁদাবাজিতে অতিষ্ঠ হয়ে পরেছেন চালকরা।
খোঁজ নিয়ে জানা যায়, কলেজগেট টঙ্গীর অন্যতম ব্যস্ত এলাকা। বনমালা সড়কের মাথা থেকে বনমালা ও হায়দ্রাবাদ সড়কে হাজারও পোশাক শ্রমিক, চাকুরিজীবী, ছাত্র-ছাত্রী ও সাধারন মানুষের যাতায়াতের একমাত্র ভরসা ইজিবাইক, অটো রিকশা। এই সুযোগকে কাজে লাগিয়ে স্থানীয় নেতাদের নাম ভাঙ্গিয়ে ও নিজেদেরও বড় নেতা পরিচয় দিয়ে বনমালা সড়কের মাথায় প্রতি ইজিবাইক থেকে আশি(৮০) টাকা করে জিপি’র নামে চাঁদা আদায় করছেন হরহামেশাই।
স্থানীয় চালক মইনুদ্দিন বলেন, আমি স্থানীয় ছেলে বিধায় আমার কাছ থেকে জিপি নিতে পারে না, কিন্তু বেশিরভাগ ড্রাইভারই অন্য এলাকা থেকে আশা, তারা সবাই ভয়ে জিপি দিয়ে দেয়। ষাট টাকা, আশি টাকা জিপি একজন অটো ড্রাইভারের জন্য অনেক বেশি হয়ে যায়। প্রতিদিন জিপি দেয় এমন অন্য চালকরা বলেন, অটোর হাজিরা, গ্যারেজ বিল ও বিদ্যুৎ বিল দিয়ে জিপি দেয়া আমাদের খুব কষ্ট হয়ে যায়। তবুও আমরা ভয়ে দিয়ে দেই, যাতে কোন সমস্যা না হয়।
জিপি আদায়ের ব্যাপারে স্বীকার করে জহিরুল বলেন, এটা আমরা একা খাইনা, অনেকেই জড়িত আছে এই টাকার সাথে। আমি এই টাকা উঠিয়ে টঙ্গী কলেজের সুজন ভাইকে দেই, সে সব মেইনটেইন করে। সুজন সম্পর্কে জিজ্ঞস করলে জহিরুল বলেন, সুজনের বাড়ি হায়দ্রাবাদে আর কিছু বলবনা। সরেজমিনে অনুসন্ধানকালে চাঁদা আদায়ে জহিরুলের অন্যতম সঙ্গি জাকিরকে পাওয়া না গেলেও চাঁদা আদায়ের ব্যাপারে জাকিরের সংশ্লিস্টতা নিশ্চিত করেছেন একাধিক ইজিবাইক চালক ও জহিরুল (জবানবন্দি প্রতিবেদকের কাছে ভিডিও রেকর্ড রয়েছে)।
টঙ্গী পূর্ব থানার অফিসার ইনচার্জ মো. কামাল হোসেন দৈনিক সরেজমিন বার্তাকে জানান, বনমালা সড়কে ইজিবাইক থেকে যদি কেউ চাঁদাবাজি করে থাকে তাদেরকে আইনের আওতায় এনে চরম শাস্তির ব্যবস্থা করা হবে।

কোন মন্তব্য নেই