• শিরোনাম

    গাজীপুর মহানগরে ব্যাঙ্গের ছাতার মত গড়ে উঠেছে অনুমোদনবিহীন কিন্ডার গার্টেন



    স্টাফ রিপোর্টার:
    গাজীপুর মহানগরের বিভিন্ন এলাকায় গড়ে উঠেছে ব্যাঙ্গের ছাতার মতো অনুমোদনবিহীন কিন্ডার গার্টেন স্কুল, ভোগান্তি পোহাতে হচ্ছে স্কুল পড়ুয়া ছাত্র/ ছাত্রীদের ।

    গাজীপুর মহানগরের ১৯ ওয়ার্ডের সালনা চেয়ারম্যান বাড়ি এলাকায় একটি স্কুলে রেজিস্ট্রেশন বিহীন দশম শ্রেণী পর্যন্ত পরিচালনা করে আসছে। দি সান প্রি ক্যাডেট নামক স্কুল, প্রধান শিক্ষক আব্দুল্লাহ আল মামুন স্কুল টি পরিচালনা করেন। রেজিস্ট্রেশন না থাকা সত্ত্বেও ২০২০  সালে এস, এস, সি পরীক্ষার্থীদের কাছ থেকে রেজিস্ট্রেশন ফি বাবদ ৬০ থেকে ৮০ হাজার টাকা ঘুষ হিসেবে হাতিয়ে নেয় এবং পরীক্ষা দেওয়ার প্রতিশ্রুতি দেয়। পরে পরীক্ষা না দিতে পেরে অভিযোগ করেন দি সান পি ক্যাডেট স্কুলের পরীক্ষার্থী ফারহানা খানম, বৃষ্টি রানী, সোনিয়া।
    শিক্ষার্থীরা প্রধান শিক্ষক, আব্দুল্লাহ আল মামুনের কাছে রেজিস্ট্রেশন এর কথা জানতে চাইলে তিনি বলেন, আমার কথায় যদি তোমরা রাজি হও তাহলেই তোমাদেরকে পরীক্ষায় অংশগ্রহণ করার সুযোগ করে দিবো।
    পরে বিভিন্ন সময়ে  শিক্ষার্থীদের কুপ্রস্তাব দিয়ে আসছিল। ছাত্রীরা  প্রস্তাবে রাজি না হওয়ায়  পরীক্ষায় অংশগ্রহণ করতে দেয়নি। শিক্ষার্থীরা খোঁজ নিয়ে জানতে পারে আমাদের রেজিস্ট্রেশন করা হয় নাই। ছাত্র-ছাত্রীরা বলেন, পরীক্ষার আগের দিন রাত বারোটা পর্যন্ত  আমাদের প্রবেশপত্র নিয়ে আসতেছি বলে জানান। উক্ত ঘটনাটি ১৯নং ওয়ার্ড কাউন্সিলর নিকট জানালে এক পর্যায়ে শিক্ষার্থীদের টাকা ফেরত দিয়ে  মীমাংসা করে দেয়। কিন্তু দেখা যায় যে তিনজন ছাত্রীর পরীক্ষা দিতে পারে নাই।
     গাজীপুর মহানগর  বিভিন্ন এলাকার প্রি- ক্যাডেট স্কুল সম্পর্কিত তথ্য সংগ্রহ করলে জানা যায়,  কিছু স্কুল পঞ্চম শ্রেণি পর্যন্ত অনুমতি আছে। কিন্তু তাহারা দশম শ্রেণী পর্যন্ত লেখাপড়া পরিচালনা করে আসছে । এই ব্যাপারে বিভিন্ন শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের প্রধান শিক্ষকের কাছে জানতে চাইলে তারা, বলেন মাধ্যমিক শিক্ষা অফিস থেকে পাঠদান অনুমতি আছে। কিন্তু দেখা যায় যে পাঠদান অনুমতি কাগজপত্র দেখাতে বললে তার দেখাতে  অক্ষম।
     উক্ত ঘটনা সম্পর্কে জেলা মাধ্যমিক শিক্ষা অফিসারকে অবগত করলে  জেলা মাধ্যমিক শিক্ষা অফিসার মোসাম্মৎ রেবেকা সুলতানা জানান, এই সব স্কুলের অনুমতি নাই, অনুমতি দেয়ার দায়িত্ব  শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের। আমাদের অনুমতি দেওয়ার কোন পদ্ধতি নেই।
    এলাকার জনগণের দাবি, যে শিক্ষক আমাদের ভবিষ্যৎ নিয়ে তালবাহানা করেছে তাদের যেন উপযুক্ত বিচার হয়। স্কুল ভবন মালিক বিল্লাল হোসেনের কাছে জানতে চাইলে তিনি বলেন, আমি এ সকল সমস্যার  দায় দায়িত্ব বহন করবো এবং এই স্কুল এখানে আছে থকবে বলে প্রভাব বিস্তারের চেষ্টা করে।

    কোন মন্তব্য নেই

    Post Top Ad

    Post Bottom Ad